বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা নেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা

  • প্রকাশের সময় : ১৩/০৬/২০২৪ ০৭:১২:৪২ AM

ছবি-সংগৃহীত

Share
51

হবিগঞ্জের বানিয়াচং বড়বাজার রাস্তায় অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পথচারীদের ভোগান্তি পৌঁছায় চরমে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে যায় পানি। এমন পরিস্থিতিতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা।

সদর উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ ডিজি ল্যাবের সামনের সড়কে পানি জমে থাকায় বিঘ্নিত হয় যান ও পথচারীদের চলাচল। বৃষ্টি কমলেও রাস্তায় সব সময় পানি জমে থাকে। তখনও এই রাস্তায় ভোগান্তিও হয় সবচেয়ে বেশি। সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হয় এই পথে নিয়মিত চলাচলকারী ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের। রাস্তার মধ্যে পানি জমে থাকার কারণে উভয় পাশের দোকানের বারান্দা দিয়ে আসা-যাওয়া করতে হয় তাদের। 
পানি নামার কোনো ব্যবস্থা বা ড্রেন এখানে নেই। সদরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার একটি অংশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীসহ সবাই।



স্থানীয়রা জানান, টানা কয়েক দিন বৃষ্টি হলে ভোগান্তির শেষ থাকে না। তখন নিচু জায়গার পাশাপাশি আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট-বড় দোকানগুলোতেও পানি ঢুকে যায়। এমনতিইে উপজেলার সদরের অনেক রাস্তার অবস্থাই এখন নাজুক। একদিন বৃষ্টি হলেই রাস্তাগুলোতে চলাচল কঠিন। সাগরদীঘির দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, রাস্তার মধ্যে এই পানি আটকে থাকার কারণে ঘর থেকে বের হওয়া কঠিন। ছেলেমেয়েরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা-যাওয়া করতে পারে না।

টমটমচালক হাসান মিয়া জানান, ওইখানে গাড়ি চালিয়ে আসার পর জমে থাকা পানি গাড়ির চাকার আঘাতে ছিটকে যাত্রীদের গায়ে গিয়ে পড়ে। সব সময় কোনো না কোনো সমস্যা লেগেই থাকে এ জন্য। গাড়িতে থাকা ব্যাটারি তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। প্রভাষক হানু মিয়া জানান, জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তা দিয়ে আসতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে দোকানের সিঁড়ি ও বারান্দা ধরে হেঁটে পার হতে হয়।

বানিয়াচং নতুন বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মতিউর রহমান মতি বলেন, বাজার কমিটির পক্ষ থেকে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই পানি যাতে জমে না থাকে সেই ব্যবস্থা করতে। তবে তাদের সামর্থ্য দিয়ে এই সমস্যা সমাধান হবে না। সড়কের এই অংশের জলাবদ্ধতার জন্য বাজারের ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সবার দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।


সিলেট প্রেস / ১৩ জুন ২০২৪/ এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০২৪-০৬-১৩ ০৭:১২:৪২