যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী শহর লারেডোতে একটি ছোট ব্যবসায়িক বিমান মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি আছড়ে পড়ে তাতে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনার পর পথচারী ও চালকরা নিজেদের যানবাহন ছেড়ে আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। খবর আরব নিউজের।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছয় আরোহী নিয়ে উড়তে থাকা একটি ব্যবসায়িক জেট স্থানীয় সময় রাত ১০টার কিছু পর লুপ ২০ হাইওয়েতে আছড়ে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। নিহত ব্যক্তি বিমানের যাত্রী ছিলেন নাকি মাটিতে থাকা কেউ ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিধ্বস্ত বিমানটি প্রায় দুই ভাগ হয়ে গেছে এবং একপাশে কাত হয়ে রয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন দ্রুত ছুটে এসে ককপিটের জানালা ভেঙে ভেতরে আটকে পড়াদের বের করার চেষ্টা করেন। দুজন ব্যক্তি হাতুড়ি ও কোদাল দিয়ে ককপিটের কাচ ভাঙার এবং বিমানের দরজা খোলার চেষ্টা করেন।
ড্যাশক্যাম ফুটেজে দেখা গেছে, বিমানটি মহাসড়কের ওপর দিয়ে ছুটে গিয়ে একটি লাইটপোস্ট ভেঙে ফেলে এবং পরে থেমে যায়। দুর্ঘটনাস্থলটি লারেডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জায়রা গারজা জানান, তিনি সহকর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে যাওয়ার সময় ঘটনাটি দেখেন। তার ভাষায়, এটি যেন কোনো চলচ্চিত্রের দৃশ্য ছিল। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
প্রাথমিকভাবে মাটিতে থাকা সাধারণ মানুষের কোনো আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করায় পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বিমানটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লস কাবোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল।
দুর্ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।




















