হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরষপুর পুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসায় মসদিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের হরষপুর রেলষ্টেশন বাজার ব্যবসায়ীদের অর্ধশত দোকান থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল প্রকাশ্যে লুটপাট করে নিযে গেছে হামলাকারিরা।হাজার হাজার মানুষ হামলাকারি বাজরের চালের দোকান, সারের দোকান,কাপড়ের দোকান মোদি দোকান সহ ছোটবড় শতাধিক দোকান থেকে জিনিষপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।।
এখন ব্যবসায়ীরা নিজের জিনিসপত্র হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন।শুধু তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।ব্যবসায়ীরা মালামাল উদ্বার ও হামলাকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করেছেন।গত শুক্রবার মাদ্রাসার মসজিদে মাওলানা বশির হুজুরের ইমামতি কেন্দ্র করে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মধ্যে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তুমুল সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।এ সময় হরষপুর রেলষ্টেশনের শতাধিক দোকান ভাংচুর করে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল লোপাট করা হয়।হরষপুর বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া সহ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান,মারামারির সময় রেলষ্টেশন বাজারে বিজয়নগর উপজেলার কয়েকটি গ্রামের লোকজন মোবাইল, মুদি কাপড়, ফার্নিচার সহ শতাধিক দোকান ভাংচুর করে কোটি টাকার জিনিষপত্র নিয়ে গেছে।লুটপাটের দৃশ্যপট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি দেখা যাচ্ছে।ব্যবসায়ী ওয়াহিদ মিয়া জানান,সবাই একযোগ লাঠিসোটা নিয়ে কয়েক ঘন্টা ধরে নারীপুরুষ দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।এখন আমরা কার কাছে বিচার চাইব।
কে আমাদের জিনিষপত্র ফিরিয়ে দেবে। ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ পারুল বলেন,যারা মালামাল লুট করেছে ফেরত দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।যদি ফেরত না দেয় তবে সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান বলেন,ইমাম ও মাদ্রাসা নিয়ে যাতে ফের কোন মারামারি বা আইনশৃঙ্খলার অবণতি না ঘটে দু উপজেলার ১০ জনকে প্রধান করে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।
আর যারা মালামাল লুট করেছে ফেরত না দিলে ফৌজদারি আইনে তাদের বিরুদ্ধ প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আলমগীর কবির, মাধবপুর হবিগঞ্জ




















