শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ৫ বস্তা টাকা, চিরকুটে 'খোকন বাটপারের' বিচার দাবি!

  • প্রকাশের সময় : ১১/০৭/২০২৬ ০৪:৪৬:৫৩ PM

Share
6

হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো খোলা হয়েছে দানবাক্স। মাজারের তিনটি বড় ডেগ ও ছোট-বড় ৫টি দানবাক্স থেকে এবার বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে আলোচনা ছড়াচ্ছে দানবাক্সে পাওয়া একটি চাঞ্চল্যকর চিরকুট। যেখানে মাজারের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার বিচার এবং সাবেক এক কর্মকর্তার প্রত্যাবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে।

​শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সোয়া ১১টার দিকে জেলা প্রশাসন ও মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির ঊর্ধ্বতন সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

​মাজার কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সকালে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলার পর সেখান থেকে মোট ৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। দেশীয় টাকা ও কয়েনের পাশাপাশি দানবাক্সগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে। বর্তমানে প্রশাসনের নজরদারিতে টাকা গণনার কাজ চলছে।

​টাকা গণনার সময় দানবাক্সের ভেতর থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়, যা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। 'আবু জলিল হাবিব' নামের এক ব্যক্তি চিরকুটটি লিখেছেন।

​চিরকুটে তিনি মাজারের 'খোকন' নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার বিচার দাবি করেছেন। একই সাথে 'ডিসি সারওয়ার' নামের এক কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে আনারও দাবি জানান।

চিরকুটে যা লেখা ছিল:
​খোকন বাটপার সে মাজারের গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ বেচাকেনা করে। মাজারের খাদেমের অর্ধেকও বেশী তার ইশারায় চলে। খোকনের কারণে পূর্বের অনেক কর্মরত কর্মচারী চাকরি হারা, তাদের মধ্যে কিছু সবজি বিক্রি করেন জীবন জীবিকা চালান। আমি চাই তার সঠিক বিচার হউক।

​মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে দানবাক্সে এমন চিরকুট পাওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। এই চিরকুটকে কেন্দ্র করে মাজারের ভেতরে ও বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাজার কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে।


সিলেট প্রেস / এফ কে


কমেন্ট বক্স
স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২০২৬-০৭-১১ ১৬:৪৬:৫৩