ফ্লু মিটার কেলেঙ্কারি আড়াল করে বিপুল সম্পদের পাহাড়, নেপথ্যে কারা?

পুরোনো পাপেই নতুন বিতর্ক: ফ্লু মিটার কেলেঙ্কারির নায়ক এনামুল যেভাবে হলেন কোটিপতি

  • প্রকাশের সময় : ৩০/০৬/২০২৬ ০৯:৩৯:০৯ PM

Share
11

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক তপাদারকে ঘিরে নতুন করে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্থানীয় মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন এনামুল হক তপাদার। তার সম্পদের উৎস নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো দৃশ্যমান তদন্তের খবর পাওয়া যায়নি।


এর আগে ২০২২ সালে সিলেট সিটি করপোরেশনের বহুল আলোচিত ফ্লু মিটার গায়েব হওয়ার ঘটনায়ও তার নাম সামনে আসে। জানা যায়, সিসিকের কুশিঘাট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে প্রায় ২৮ লাখ টাকা মূল্যের ৫৩৫টি নতুন পানির ফ্লু মিটার সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে প্রয়োজনের সময় সেখান থেকে ৫০টি মিটার উত্তোলন করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ দেখতে পায়, গোডাউনে কোনো মিটারই নেই।


ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আট কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয় এবং তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়। শোকজপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক তপাদারের নামও ছিল।


তৎকালীন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ঘটনাটির তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। পাশাপাশি ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সিসিকের পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান বাদী হয়ে এসএমপির হজরত শাহপরাণ (রহ.) থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।


তবে অভিযোগ রয়েছে, কোটি টাকার সরকারি সম্পদ গায়েব হওয়ার ঘটনায় নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।


এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে এনামুল হক তপাদারের সম্পদের পরিমাণ ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মহল থেকে তার সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে।


সিলেট প্রেস / নিউজ ডেস্ক


কমেন্ট বক্স
নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশ: ২০২৬-০৬-৩০ ২১:৩৯:০৯