হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কালনী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩০ জন। বুধবার বিকেলে কালনী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, কালনী গ্রামের ফরিদ মিয়া এবং ইউপি সদস্য শান্ত মিয়ার লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার তাদের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলাও চলমান। এর জেরে বুধবার বিকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে কাজী দিপুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কাজী দিপু (৩৮) ওই গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
এদিকে মাধবপুরে ফোনে কথা বলায় নিজ মেয়ে রানু বেগমকে ( ১৫) দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বাবা। বুধবার বিকালে উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক পিতা মঈন উদ্দিনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানান, ঘনশ্যাম পুর গ্রামের মঈন উদ্দিনের কিশোরী কন্যা মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত কথা বলত। ফোনে কথা না বলতে নিষেধ করে আসছিল পিতা মঈন উদ্দিন। বুধবার রানুকে ফোনে কথা বলতে দেখে শাসন করে। এক পর্যায়ে রানু রেগে গিয়ে পিতার সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এতে পিতা রাগান্বিত হয়ে ধারালো দা দিয়ে রানুর ঘাড়ে কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলে রানু মারা যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মঈন উদ্দিনকে আটক করেছে। তার ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মাধবপুর সার্কেল একেএম সালিমুল হক।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















