চা বাগানে দুর্দিন, ধস স্থানীয়দের ব্যবসায়

  • প্রকাশের সময় : ২৮/১১/২০২৪ ০১:১২:৫৮ AM

Share
27

শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে জটিলতা এবং চা বাগানে চলমান কর্মবিরতির প্রভাব পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে। এতে করে আঞ্চলিক অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতি সপ্তাহের বুধবার চা বাগানে উৎসবের আমেজ বিরাজ করত। বিকেল হলেই চা শ্রমিকরা লাইন ধরে তাদের সাপ্তাহিক রেশন ও তলব নিয়ে যেতেন। সেই টাকা দিয়ে বাগানের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করতেন তারা। এতে করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উপার্জন ছিল ভালো।

তিন মাস ধরে মাধবপুর উপজেলার সরকার মালিকানাধীন পরিচালিত তেলিয়াপাড়া, জগদীশপুর চা বাগানসহ ১২টি বাগানে এখন করুণ দশা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ধস নেমেছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে। চলতি বছরের আগস্ট থেকে কোম্পানির তহবিলে অর্থের সংকট দেখা দেওয়ায় কর্তৃপক্ষ চা শ্রমিকদের তলব, রেশনসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করতে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ বাগান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। তিন মাস ধরে বাগানের সব কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে আছে। রেশন ও তলব না পেয়ে শ্রমিক পরিবারে দেখা দিয়েছে তীব্র অভাব। বকেয়া দাবিতে চলছে শ্রমিকদের কর্মবিরতি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, চা বাগানের শ্রমিকরা তাদের ক্রেতাগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ। প্রতি সপ্তাহে শ্রমিক ও কর্মচারিরা নিত্যপ্রয়োজনীয় সব মালপত্র কিনতেন। এতে স্থানীয়ভাবে অর্থনীতির চাকা সচল ছিল। 

নোয়াহাটি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সুবোধ বিশ্বাস জানান, আগে প্রতিদিন সকালে বাগানের অনেক মানুষ বাজারে কেনাকাটা করতে আসতেন। এখন ক্রেতার সংখ্যা একেবারেই কম। জগদীশপুর চা বাগানের মিঠুন জানান, বাগান বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীসহ সবাই বিপদে পড়েছেন। এনটিসি মহাব্যবস্থাপক এমদাদুল হক জানান, সংকট কাটিয়ে উঠতে কর্তৃপক্ষ আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। 


সিলেট প্রেস / ২৮ নভেম্বর ২০২৪/ এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০২৪-১১-২৮ ০১:১২:৫৮