ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতক শহরের মূল সড়কজুড়ে গড়ে উঠেছে অলিখিত সিএনজিচালিত অটোরিক্সার স্ট্যান্ড। এতে সড়কে চলাচলকারী জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চলমান থাকলেও সমাধানে নেই কোনো উদ্যোগ। সড়কে অটোরিক্সার কারণে প্রতিদিনই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাশাপাশি বাড়ছে যানজট। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতার কারণে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। ভোগান্তি নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরের জনভোগান্তি কমাতে প্রায় তিন বছর আগে পৌরসভা মেয়র আবুল কালাম চৌধুরীর উদ্যোগে অস্থায়ী অটোরিক্সা স্ট্যান্ডটি পুরাতন কোর্ট রোডে স্থানান্তর করা হয়েছিল। তবে ছয় মাস না যেতেই চালকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো অটোরিকশাগুলো সড়কের ওপর রাখতে শুরু করেন। শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে পুরাতন কোর্ট রোড পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে প্রতিদিন অন্তত অর্ধশতাধিক অটোরিক্সা রাখা হয়। যে কারণে ব্যস্ততম ওই সড়কে যান চলাচলে ভোগান্তি বেড়ে চলেছে। সেই সঙ্গে তীব্র হচ্ছে যানজট।
এদিকে প্রায় ২৪ বছর ধরে ছাতক বহুমুখী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মর্কেটের সামনে রয়েছে অলিখিত ট্রাকস্ট্যান্ড। শহরের আশপাশে স্থায়ী কোনো ট্রাকস্ট্যান্ড না থাকায় বিদ্যালয়ের মার্কেটের সামনে ছোট-বড় ট্রাক সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। এ ছাড়া চন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যালয় এলাকায় অটোরিক্সা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের স্ট্যান্ডের কারণেও ভোগান্তি বেড়েছে শহরবাসীর।
শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে পুরাতন কাস্টমস রোডে ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কজুড়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। সড়কজুড়ে দিনের পর দিন চলতে থাকা পরিবহন খাতের এমন নৈরাজ্য নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান জানান, সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য চলছে। এসব বিষয়ে একাধিকবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে।
পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১ নম্বর ব্রিজ থেকে ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত ওয়ানওয়ে লাইনের কাজ শুরু হবে।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















