হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণকালে মো. মান্নাফ মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশে দিয়েছে জনতা। শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের কবিলপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মন্নাফ ওই গ্রামের মো. দিয়ারিশ মিয়ার ছেলে ও এক সন্তানের জনক।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ভিকটিম কিশোরী রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির বারান্দার রুমে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতে ২টার দিকে মান্নাফ মিয়া তার বন্ধু মো. সাবিদ মিয়া কৌশলে দরজা খোলে কিশোরীর রুমে ডুকে ওড়না দিয়ে তার মুখ বেধে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় ভিকটিম কৌশলে মুখের ওড়না খুলে চিৎকার করলে পরিবার ও আশপাশের লোকজন এসে ধর্ষক মান্নাফ মিয়াকে আটক করে। এসময় তার সহযোগী সাবিদ মিয়া দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে সাবিদ মিয়া লোকজন নিয়ে এসে মন্নাফকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভিকটিমের পরিবার ৯৯৯ এ ফোন করে সাহায্য চায়। খবর পেয়ে মাধবপুর থানার পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ধর্ষকের সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ ধর্ষক মান্নাফ মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে শুক্রবার দুপুরে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগী সাবিদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিমকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরিক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।




















