জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি আপাতত গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে না। দলীয় সূত্রে জানা গেছে কিছু বিষয় বিবেচনায় গোপালগঞ্জ বাদ দিয়ে দেশের বাকি ৬৩ জেলায় কর্মসূচিটি পালন করা হবে। তবে আগামী ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে গোপালগঞ্জে দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করবেন।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রথমে ৬৪ জেলাতেই ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। লিখিত বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, ঐতিহাসিক রক্তস্নাত জুলাই ফিরে এসেছে নতুন প্রত্যাশা ও প্রেরণার বার্তা নিয়ে। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই একটি অনন্য অধ্যায়। এই ঐতিহাসিক মাসকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নতুন প্রজন্ম ও দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
তিনি বলেন, এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে এনসিপি দেশজুড়ে ৬৪ জেলার ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে। যা আগামী ৬ জুলাই থেকে শুরু হবে। আগামী ৬ জুলাই থেকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে উক্ত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন।
তবে এক ঘণ্টা পর গোপালগঞ্জ বাদ দিয়ে সংশোধিত কর্মসূচির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার , আমরা ১৬ জুলাই রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করতে যাব। ওই দিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে এনসিপির শীর্ষ নেতারা ব্যস্ত থাকবেন। এই কারণে আমরা গোপালগঞ্জে যাওয়ার কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রেখেছি।
গত বছরের গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতাদের ওপর হামলা হয়েছিল, এবার নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে স্থগিত করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরের তিনি বলেন, নিরাপত্তার কোনো বিষয় নেই। আমরা আগামী সেপ্টেম্বরে গোপালগঞ্জে যাব। সেই সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। এছাড়া এবারও যেসব জেলায় যেতে পারছি না, পরের ধাপ অথাৎ সেপ্টম্বরে সেসব জেলায় যাবেন শীর্ষ নেতারা।



















