সময়ে-অসময়ে পুলিশের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা হয় তবে এর বাইরে রয়েছে বহু পুলিশ অফিসার যারা সততা, দক্ষতা এবং মানবিক গুণে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন । হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম সেই ধরণের একজন পুলিশ কর্মকর্তা।
ওসি সাইফুল ইসলাম কাজের দক্ষতা, মানবিক আচরণ, সততা এবং দৃঢ় চরিত্রের সমন্বয়ে স্থানীয় জনগণের কাছে পরিচিত। তিনি শুধু অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নয়, বরং জনকল্যাণমূলক কাজে এবং মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। স্থানীয়দের অভিযোগ মীমাংসা, বিপদে সহায়তা, দুর্ঘটনা ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করা—এসব ক্ষেত্রে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা তাকে সৎ, আদর্শবান ও গরীবের বন্ধু হিসেবে চেনে। তিনি থানার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এলাকায় মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও চাঁদাবাজীমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নীতি “মামলা নয়, আপোষ হলে ভালো হয়” অনুসারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপোষের মাধ্যমে সমাধান করে থানায় মামলা বহুলাংশে কমেছে।
ওসি সাইফুল ইসলাম শুধু দায়িত্বনিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা নয়, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে নিবেদিত। তিনি জনগণের পাশে দাঁড়ান—সাহায্য, সমাধান ও পরামর্শ দিয়ে।
একজন বৃদ্ধ বলেন, “ওসির রুমে যেতে অনুমতি লাগে না; যে কোনো বিপদে আমরা তার কাছে সেবা পাই।”
পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তার লক্ষ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সততা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করা।
নিজ কণ্ঠে তিনি বলেন, “পুলিশে চাকরি মানেই দেশের সেবা ও মানব সেবার ব্রত। সেবার মনোভাব নিয়ে জনসম্পৃক্ত থেকে কাজ করতে হবে। আজ এখানে, কাল অন্যত্র—মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সামনে এগোতে চাই।”
বাহুবল মডেল থানার স্থানীয়রা মনে করেন, সাইফুল ইসলামের মতো কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের জন্য গর্ব। তার নেতৃত্বে অপরাধ দমন কার্যক্রমে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সম্ভব।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















