হবিগঞ্জ মাধবপুর অস্ত্র এবং মাদকসহ ১৫ মামলার কূখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ফুয়াদ হাসান সাকিব (২৭) কে তার তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হয়েছে। ৩০ জুলাই বুধবার ভোর রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাধবপুর আর্মি ক্যাম্প এবং হবিগঞ্জ সদর ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে অস্ত্র এবং মাদক মামলার আসামি কূখ্যাত সাকিবকে গ্রেপ্তার করে। ফুয়াদ হাসান সাকিব উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সোয়াবই গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ ১৫ টি মামলা রয়েছে। বুধবার দুপুরে ধর্মঘর ক্যাম্পের ২৫ বিজিবি সদস্যরা ফুয়াদ হাসান সাকিবকে নিয়ে তার আস্তানায় অভিযান করেন। তার কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন,৪ টি মোটর সাইকেল ৮ কেজি গাজা, ৩ টি বল্লম, ১ টি রামদা,মদের বোতল,ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।,স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,সাকিবের ভয়ে এলাকার লোকজন ভয়ে তটস্থ ছিল।কেউ তার মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করলে তাকে ধরে নিযে যেত সাকিবের লোকজন।
সাকিবের মাদকের ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চৌমুহনীর দুলাল সিদ্দিকীন নামে এক যুবককে সাকিবের আস্তানায় ধরে নিযে নানা ধরনের নির্যাতন করেছে।এ কারনে সাকিব একটি আতঙ্কের নাম ছিল। আবার কখনো সে হঠাৎ করে লোকবল নিয়ে মোটরসাইকেল মহড়াও দিত।মাঝেমধ্যে ফেসবুক ভিডিও ধারণ করে সরাসরি মানুষকে ভয দেখাত।বিশেষ ভঙ্গিমায় হাতে অস্ত্র নিয়ে ছবি ছড়িয়ে আতংত সৃষ্টি করত।
এর আগে গত ৬ জুলাই মাধবপুর আর্মি ক্যাম্পের সেনা সদস্যরা সোয়াবই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ফুয়াদ হাসান সাকিবকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান করে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়।ওই দিন তার ভাগ্নে মাজহারুল ইসলাম রাব্বির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার বাথরুমের উপর থেকে SMK B2 চাইনিজ রাইফেল ৩× কার্তুজ গোলাবারুদ এবং ১৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ফুয়াদ হাসান সাকিব এবং মাজহারুল ইসলাম রাব্বির নামে মাধবপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই শাহানুর বাদি হয়ে অস্ত্র এবং মাদকের মামলা করেন।
২৫ বিজিবির অধিনায়ক লেঃকর্নেল আব্দুল জাব্বার জানান,সাকিব ও তার তিন সহযোগীকে উদ্বার মালামাল সহ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলমগীর কবির, মাধবপুর হবিগঞ্জ




















