সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শনির হাওর ও মাটিয়ান হাওরে বোরো ধান কাটা শেষ। তাই সংলগ্ন স্লুইসগেট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি।
বুধবার বেলা ১১টায় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে পাউবোর কমিটির এক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইউএনও সালমা পারভিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী আরিফ উল্লাহ খান, তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী, শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুরাদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, রমেন্দ্র নারায়ণ বৈশাখ, মাটিয়ান হাওর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন প্রমুখ।
সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন জানান, শনির হাওর, মাটিয়ান হাওর, মহালিয়া ও গুরমা হাওরের বোরো ধান কাটা শেষ। হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের সুরক্ষা নিশ্চিতে স্লুইসগেট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় উত্থাপিত প্রস্তাবনায় শনির হাওরের স্লুইসগেটের পানির লেভেল থেকে নিচে প্রতিটি গেট থেকে তিনটি ফলবোর্ড উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। একই নিয়মে মাটিয়ান হাওরের স্লুইসগেটে পাঁচটি ফলবোর্ড উঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে গুরমা হাওরটি তাহিরপুর ও মধ্যনগর এ দুই উপজেলার আওতায় থাকায় ফলবোর্ড খোলার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউএনও সালমা পারভিন।
তাহিরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান জুনাব আলী জানান, স্লুইসগেটগুলো খুলে দেওয়া হলে মাছের বংশ বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক হবে।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















