সুনামগঞ্জের শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত ছাতক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু হয়েছে। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও এখন পর্যন্ত মাঠে নেই বিএনপি-জামায়াতের কোনো প্রার্থী। যেসব প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সবাই আওয়ামী লীগ ঘরানার।
ঈদের পরপরই প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ কারণে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে সরব হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে অন্তত সাতজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। যাদের নাম শোনা যাচ্ছে সবাই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় এগিয়ে আছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজুলর রহমান, ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ মজনু ও গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজের সাবেক ভিপি আওলাদ আলী রেজা। দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন দুই তরুণ প্রার্থী ইশতিয়াক রহমান তানভির ও সামিউল হক সানিও। এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম কিরণ ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত মো. লাহিন।
বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও আওয়ামী লীগের সমর্থন পেলে তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। স্থানীয়ভাবে দলের সমর্থন না পেলে তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না।
পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মজনু বলেন, তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে ইচ্ছুক। এ জন্য পৌরসভা ও উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
অপর সম্ভাব্য প্রার্থী আওলাদ আলী রেজার ভাষ্য, ছাত্রলীগের রাজনীতির পর এখন আওয়ামী লীগের তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। স্থানীয় জনসাধারণের মতামত নিয়েই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
রফিকুল ইসলাম কিরণ বলেন, তাঁর বাবা সুন্দর আলী দু’বার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। এলাকায় তাঁর পরিচিতি আছে। জনগণের মতামত নিয়ে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য তিনি গণসংযোগ শুরু করেছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়ে ইশতিয়াক রহমান তানভির জানান, তরুণদের মতামতের ভিত্তিতে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। তবে তাঁর চাচার (এমপি মুহিবুর রহমান মানিক) সম্মতি পেলেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন।




















