সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজনের অতর্কিত হামলায় লিপটু চন্দ্র সরকার (২৪) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহতাবস্থায় লিপটু সরকারকে প্রথমে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলা সদরের কাঠ মহাল এলাকায় প্রতিপক্ষের সুধীন চন্দ্র সরকার ও রনু চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে ৩-৪ জন সন্ত্রাসী লোহার রড নিয়ে তার উপর এ হামলার ঘটনা ঘটায়।
আহত লিপটু চন্দ্র সরকার মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের কৌরাজান গ্রামের হরেন্দ্র চন্দ্র সরকারের ছেলে। হামলাকারীরাও একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।য়
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কৌরাজান গ্রামের লিপটু চন্দ্র সরকারের সাথে একই গ্রামের রনু চন্দ্র সরকার ও সুধীন চন্দ্র সরকারে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৪ জানুয়ারি উপজেলা সদরের গলইখালী নামক স্থানে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে লিপটু চন্দ্র সরকারের সাথে রনু চন্দ্র সরকার ও সুধীন চন্দ্র সরকারের বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রনু সরকার ও সুধীন সরকার লিপটু সরকারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বাড়ি চলে যান। এরই জের ধরে শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে লিপটু সরকার মধ্যনগর বাজারে আসেন এবং তিনি বাজারের কাঠ মহাল এলাকায় যাওয়া মাত্রই প্রতিপক্ষের রনু চন্দ্র সরকার ও সুধীন চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে ৩-৪-জন সন্ত্রাসী লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে লিপটু সরকারের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এসময় লিপটুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে অসংখ্য আঘাতের ফলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা তাৎক্ষণিকভাবে দৌড়ে সেখান থেকে চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত লিপটু চন্দ্র সরকারকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।
মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই এব্য আমরা সেখানে পৌঁছার আগেই হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















