সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মখলেসুর (৬০) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এক আত্নীয়ের বাড়িতে পলাতক থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানাগেছে। তিনি ওই এলাকার মালদার বলয়ের লোক ছিলেন। এই ঘটনার নিহতের সংখ্যা দাড়ালো ৪ জনে।
এর আগে গতকাল সোমবার সকাল ১১ টায় মসজিদের কাঁঠাল নিলামকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন৷
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাসনাবাজ গ্রামের একটি মসজিদে এক ব্যক্তি একটি কাঁঠাল দান করেন। মসজিদে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই কাঁঠালটি নিলামে তোলা হয় এবং দাম হাঁকানো হয়। তবে এ সময় তুচ্ছ ঘটনাকে ক্ন্দ্রে করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দ্বীন ইসলামের সমর্থক এবং প্রতিপক্ষ সুনু মিয়া ও জুনাব আলীর লোকজন।
এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাবুল মিয়া (৫৮) ও নুরুল ইসলাম (৪২)। অপর দিকে মো. শাহজাহান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ চৌধুরী বলেন, ওই এলাকায় এখনো অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে৷ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে৷
অপরদিকে এ ঘটনায় মানুষ শুন্য হয়ে পড়েছে গ্রাম। গ্রামে মানুষের সংখ্যা একেবারে কম, মহিলারা বাড়িতে অবস্থান করছেন, পুরুষের উপস্থিতি কম।




















