মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অনুদান ও বরাদ্দ প্রদান করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। এসব বরাদ্দের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শ্মশানঘাট এবং জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, “জনগণের কল্যাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার প্রতিটি অঞ্চলে সমানভাবে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সবার সহযোগিতা থাকলে উন্নয়নের এই ধারা আরও বেগবান হবে।”
তিনি জানান, খুব শিগগিরই চলমান ও নতুন প্রকল্পগুলোর সুফল সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবেন। এতে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনসেবামূলক অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
এদিকে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের গজভাগ গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ইটসলিং কাজের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু উন্নয়ন কাজ এখনো চলমান রয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্প নথি অনুযায়ী রাস্তার দৈর্ঘ্য ও কাজের পরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পে কাবিখা/কাবিটা (নগদ) অথবা টিআর (নগদ) তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যেত। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে বলে তারা আশা করছেন।
প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী বড়লেখা উপজেলায় কবিখা-কাবিটা খাতে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, টিআর (নগদ) খাতে ২৬ লাখ টাকা, চাল ৬ মেট্রিক টন এবং গম ৭ মেট্রিক টন বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে জুড়ী উপজেলায় কবিখা-কাবিটা খাতে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা, টিআর (নগদ) খাতে ১৪ লাখ টাকা, চাল ৪ মেট্রিক টন এবং গম ৫ মেট্রিক টন বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনসেবামূলক সুযোগ-সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হবে।
মনসুর আহমদ, বড়লেখা



















