সংসার শুরুর ৬ মাসেই শেষ কাজল রেখার জীবন

  • প্রকাশের সময় : ২০/০৬/২০২৬ ০৯:৪৮:৫৭ PM

Share
6

‎কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা মোরারপাড়া এলাকায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ‎শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১টার দিকে মোরার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।


নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক নির্যাতনের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।


নিহত কাজল রেখা (২০) ওই এলাকার বাসিন্দা রাসেল প্রকাশ রাসেল মিকারের ছেলে রাজিবুল ইসলাম রানার স্ত্রী। তিনি পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোঁয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে।


‎নিহতের বাবা জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার মেয়ের বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যায়। দুপুরে সহকর্মী চৌকিদার ইলিয়াস আমাকে ফোনে মেয়ে নিহতের খবর জানান। তার দাবি, বিয়ের পর থেকে মেয়েকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। বিভিন্ন সময় কাজল রেখা এসব নির্যাতনের কথা বাবাকে জানাতেন। শনিবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে হত্যা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।


জানা গেছে, গত ২০২৫ সালে ২৯ ডিসেম্বর কাজল রেখার সঙ্গে রানার বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাসের পার না হতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়ের লাশ নিয়ে আসতে হলো বাবা জসিম উদ্দিনকে।


‎স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে মরদেহ পাঠানো হয়।


‎পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


‎এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্তে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সিলেট প্রেস / নিউজ ডেস্ক


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৬-০৬-২০ ২১:৪৮:৫৭