বকুলকে মিথ্যা ও বানোয়াট মা ম লায় জড়ানো হয়েছে অভিযোগ তাঁর স্ত্রীর

  • প্রকাশের সময় : ০৮/০৬/২০২৬ ০৯:১৫:২৩ PM

Share
9

নগরীর শাহজালাল উপশহর এলাকায় পরিকল্পিতভাবে মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি করে এবং গণধোলাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে ৮০ বছর বয়সী আবদুস শুক্কুর বকুলকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী রুশনা বেগম।

গতকাল রোববার (৭ জুন) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে রুশনা বেগম বলেন, গত ৫ জুন রাতে শাহজালাল উপশহরের এবিসি পয়েন্ট এলাকায় ‘কিশোর বলাৎকারের’ অভিযোগ তুলে একদল ব্যক্তি তাঁর স্বামী আবদুস শুক্কুর বকুল এবং মো. খায়রুল ইসলাম বাবলা নামের অপর একজনকে অবরুদ্ধ করে মারধর ও হেনস্তা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের হেফাজতে নেয়।

পরদিন ৬ জুন বিমানবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।তিনি দাবি করেন, তাঁর স্বামী আবদুস শুক্কুর বকুল শারীরিকভাবে অসুস্থ ও দুর্বল একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি। তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং হয়রানির উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনার নাটক সাজিয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁদের সন্তানরা প্রবাসে থাকায় তাঁর স্বামী অধিকাংশ সময় একাই বাসায় অবস্থান করতেন। এ সুযোগে শাহজালাল উপশহরের ব্লক-বি এলাকার মুহিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে হয়রানি করে আসছিলেন।

এমনকি অর্থের জন্য চাপ সৃষ্টি করা, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেন তিনি।রুশনা বেগম জানান, সম্ভাব্য ঝুঁকির আশঙ্কায় তাঁর স্বামী গত ৩ জুন শাহপরাণ (রহ.) থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১২৯) করেন। ওই জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, উপশহর এলাকার এক ব্যক্তির ছেলে মুহিবুর রহমান তাঁর কাছে ইয়াবা সেবনের জন্য টাকা দাবি করেন এবং টাকা না পেয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।তাঁর দাবি, ওই সাধারণ ডায়েরির জের ধরেই দুই দিনের মাথায় ৫ জুনের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্বাস, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র প্রবাসে থাকা সন্তানদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে এ ষড়যন্ত্র করেছে।সংবাদ সম্মেলনে রুশনা বেগম ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


সিলেট প্রেস / এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৬-০৬-০৮ ২১:১৫:২৩