এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০০-এর বেশি নারী খেলোয়াড় পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। নতুন খেলোয়াড়দের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের জন্যও থাকবে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা, যাতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আরও প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেন।
কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্ট ২০২৬, যেখানে সারা দেশ থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।
ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগের ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছে। ২০২৫ সালের টুর্নামেন্ট থেকে ১১ জন নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে এসেছেন, যাদের মধ্যে চারজন এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে বাংলাদেশের দলে স্থান করে নিয়েছেন। এই নারী হকি দলই রানার-আপ হয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসের বাছাইপর্ব উত্তীর্ণ হওয়ার সাফল্য অর্জন করে।
এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বাস করতেন, বাংলাদেশের প্রতিভার কোনো অভাব নেই; অভাব রয়েছে সুযোগের। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা এমন একটি শক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলছি, যা তরুণীদের আত্মবিশ্বাস, মর্যাদা ও দক্ষতার সঙ্গে তাদের ক্রীড়া স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেবে। এটি শুধু খেলাধুলায় বিনিয়োগ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনায় বিনিয়োগ।’
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজুল হাসান (অব.) বলেন, ‘বাংলাদেশে নারী হকির সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। ব্র্যাক ব্যাংকের ধারাবাহিক সহায়তা তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’
অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট দায়িত্বশীলতা (সিএসআর) কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আলো’। নারী ক্রীড়াবিদদের বিকাশে বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকটি জেন্ডারসমতা প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে অবদান রেখে চলেছে।




















