সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোলা স্থানে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে খাবারের উচ্ছিষ্ট, মেডিক্যালের বর্জ্য, রক্তমাখা গজ-তুলাসহ পরিত্যক্ত জিনিসপত্র।
৫০ শয্যার এই হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করায় রীতিমতো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী স্থানগুলো। বর্জ্য শোধনাগার থাকা বাধ্যতামূলক হলেও কোন বর্জ্য শোধনাগার নেই। খোলা স্থানেই প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা চিকিৎসা বর্জ্য। রোগী ও পথচারীদের দুর্গন্ধে নাকাল হয়ে উঠলেও নীরব ভূমিকায় রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (২২ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজন সারাদিনই পরিত্যক্ত জিনিসপত্র ফেলে যাচ্ছেন। হাসপাতালের মূল ভবনের উত্তর পাশে চলাচলের পথেও অনবরত ময়লা ফেলা হচ্ছে এইসব বর্জ্য। চিকিৎসা নিতে এসে প্রবেশপথেই নাকে টিপে ধরতে হচ্ছে সাধারণ মানুষজনকে।
তীব্র দুর্গন্ধে বমি হওয়ার উপক্রম। আর এই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে হাসপাতালের চারপাশের আবাসিক এলাকায়। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে হাসপাতালের আশপাশের মানুষ।
উপজেলার একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের একমাত্র সরকারি হাসপাতালে এমন পরিস্থিতির বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে। ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন রোগী ভর্তি থাকে গড়ে ৭০ থেকে ১০০ জন। আর বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা নেয় গড়ে ৪০০রোগী। আর সেখান থেকেই ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ নিতে হয় চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও রোগীর স্বজনদের।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে যাতে হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সুন্দর মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়। সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং হাসপাতালের সামনে যারা ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















