যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া

  • প্রকাশের সময় : ১১/০৪/২০২৩ ০৪:১৯:১৪ AM

Share
54

চীনের পর এবার সামরিক মহড়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইন। দেশ দুটির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় যৌথ সামরিক মহড়া। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার (১০ এপ্রিল) তাইওয়ান ঘিরে চীনের তিনদিনব্যাপী সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার একদিন পর আজ মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এই মহড়া শুরু করেছে ওয়াশিংটন-ম্যানিলা।

তবে তাদের এই মহড়া হঠাৎ করেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এই মহড়ার কথা আগেই জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। ওয়াশিংটন এবং ম্যানিলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি হিসেবে তারা এই সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে।

গত মাসে ওয়াশিংটন এক ঘোষণায় জানায়, ফিলিপাইনের সঙ্গে তাদের বার্ষিক বালিকাতান যৌথ সামরিক মহড়ায় ১৭ হাজার মার্কিন সৈন্য অংশ নেবে।

এর ভেতর সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে যোগ দেবে ১২ হাজার সৈন্য। চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও গত বুধবার (৫ এপ্রিল) ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন। এতে ক্ষুব্ধ হয় চীন।

সাইয়ের সফরের মধ্যেই চলে ৪ দিনের মহড়া। এতে ১১টি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপসহ ব্যবহার করা হয় রণতরী, যুদ্ধবিমান ও ড্রোন।

এরপর আবার গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত চলে তিন দিনের সামরিক মহড়া। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন চীনের সামরিক মহড়ার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি এটিকে চীনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে মন্তব্য করেন।


সিলেট প্রেস / ১১এপ্রিল ২০২৩ এস ছামি


কমেন্ট বক্স
 আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৩-০৪-১১ ০৪:১৯:১৪