জঙ্গিদের নতুন আস্তানা কালো পাহাড়। আটকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সেখানে অভিযান করেছে সিটি টিসিওসোয়াট টিম।ভোর থেকে ১২টাপর্যন্ত চলে আয় অভিযান ।
১৭ জনের কাছে২ লক্ষ টাকা পাওয়া গেছে। ১৭ জন জঙ্গিকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে ২০ টি টিলা পায়ে হেঁটে যাওয়ার পর সন্ধান মিলেছে নতুন আস্তানাা কালো পাহাড়ের।
সেখানে মাটির নীচ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি।
কিছু এক্সক্লুসিভ ৬কেজি বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার করা হয়েছ। বিভিন্ন সময়ে তাদের কাছ থেকে নতুন নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী চলবে অভিযান। জঙ্গিরা কখনোই তার নাম বলে না ভিন্ন নামে চলে তারা।এ অভিযানে ডেটোনেটর পাওয়া যায়।
জঙ্গি আটকের পর মৌলভীবাজার জেলা ও কুলাউড়া থানা পুলিশ জঙ্গিদের ব্যাগগুলো পৃথক ব্যবস্থাপনায় না নিলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারতো। ব্যাগের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের সরঞ্জামাদি ছিল কানেক্টিং করা । যদিও কোন বিপদ হয়নি।
তদন্তের স্বার্থে সব কথা শেয়ার করা যাবে না।৯৬টিডেটোনেটরপাওয়া গেছে তাদের কাছে এমনটাই মৌলভীবাজার প্রেসব্রিফিং এ জানিয়েছেন
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
জঙ্গিদের নতুন আস্তানার খুঁজে ডিএমপি'র (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান আজ মঙ্গলবার যেটিলায় অভিযান করেছেন সেটি জুড়ী উপজেলার ফুলতলায় ইউনিয়নের বেলকুমা পানপুঞ্জির উপরের কালো টিলা বলে নিশ্চিত করেন নারী ইউপি সদস্য মাহমুদা।
কর্মদা পাহাড়ি জনপদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান জঙ্গিরা আসার পর যোগী টিলায় অবস্থানের কয়েকদিন পর অভাবে পড়ে যায় তখন তারা কয়জন কোন এক পান পুঞ্জিতে দিনমজুরের কাজে যায় আর এভাবেই নানা কারণে পৃথক পৃথক স্থানে অবস্থানে চলে যায় জঙ্গিরা ।
২০ থেকে ৪০ জন জঙ্গির অবস্থান ছিল প্রথমে যোগীটিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এমনটা নির্দ্বিধায় বলছেন স্থানীয়রা।
সিটিটিসি অভিযানে জঙ্গিদের নতুন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেলেও জঙ্গিরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করছে কিনা তার নিশ্চিত হতে না পারায় আতঙ্কে আছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষও কুলাঊড়া-জুড়ীবাসী।
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া




















