ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে না পেরে মালয়েশিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন নুরুল আমিন মান্না (২৫) নামে এক প্রবাসী। ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও নিহতের মরদেহ দেশে আসেনি। অপেক্ষার প্রহর গুনছেন স্বজনরা।
নিহত প্রবাসী নুরুল আমিন মান্না হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিণ সাঙ্গর গ্রামের মো. তাজুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, গত ১ মে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মালয়েশিয়ার নিজ বাসা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় প্রবাসী মান্নার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত্যুর খবরটি প্রবাসীর দেশের বাড়িতে পৌঁছানো হলে নিহতের পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। এদিকে মান্নার মরদেহ দেশে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তার স্বজনরা। নিজ সন্তানের মুখটি একটি নজর দেখার জন্য প্রহর গুনছেন নিহতের বাবা-মা।
নিহত মান্নার সহকর্মী মালয়েশিয়ায় বসবাসরত কয়েকজন প্রবাসী বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবত নিহত মান্না মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। শুনেছি ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু বিষয়টি মান্নার পরিবার মেনে নেয়নি। এতে ভালোবাসার মেয়েটির সঙ্গে তার প্রেম বিচ্ছেদ হয়। হয়তো এ কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
দক্ষিণ সাঙ্গর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সাদ্দাম মিয়া বলেন, ‘নিহত মান্না আমাদের নিকট আত্বীয়। সে আমার থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরত্ব বসবাস করত। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে ছুটে গিয়েছিলাম। ততক্ষণে মালয়েশিয়া পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছেন। নিহতের লাশটি পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে দেশে পাঠানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু সে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বসবাস করার কারণে আইনি জটিলতা দেখা দিয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
নিহতের বাবা মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলের মুখটা শেষবারের মতো দেখতে চাই। এজন্য লাশটি দেশে পাঠানোর জন্য মালয়েশিয়া এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















