সিলেট-আখাউড়া রেলপথে যাত্রীদের ভোগান্তি

  • প্রকাশের সময় : ০৭/০১/২০২৬ ১০:৩২:৫৮ PM

Share
36

ট্রেনে নিরাপদ ভ্রমণ থাকলেও সিলেট-আখাউড়া সেকশনে অন্তহীন ভোগান্তিতে রয়েছেন ট্রেন যাত্রীরা। ত্রুটিযুক্ত ইঞ্জিন, টিকিট সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো ও ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় এই সেকশনের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। দীর্ঘদিনের এসব সমস্যা জিইয়ে থাকায় গত বছরে সিলেট, কুলাউড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে স্থানীয়রা আন্দোলন করেন। তার পরও সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেই।

জানা গেছে, ট্রেনের ইঞ্জিন ঘন ঘন বিকল হওয়ায় কোনোভাবেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিকল্প ইঞ্জিন দিতে পারছে না। ফলে কয়েক দিন ধরে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেন ছাড়তে হচ্ছে। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাত ১০টায় আন্তনগর উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও সময় নির্ধারিত হয় রাত ১২টা। পরে যাত্রীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রাত আড়াইটায় পারাবত এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন দিয়ে উপবন এক্সপ্রেস সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসে।

মঙ্গলবার রাতে নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকায় আসে উপবন এক্সপ্রেস। কিছুদিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই একই ঘটনা ঘটছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় ঢালু পথে উঠতে শক্তিশালী ইঞ্জিন প্রয়োজন। এ জন্য একটি ইঞ্জিন বিকল হলে এর পরিবর্তে অন্য ইঞ্জিন দ্রুত দেওয়া সম্ভব হয় না।

তা ছাড়া একটি ইঞ্জিনকে ওয়াশ করে কয়েক ঘণ্টা রেস্ট দিতে হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমসেরনগর ও কুলাউড়া এই চারটি স্টেশনের জন্য প্রতিদিনের বরাদ্দ এক হাজার ৬০০ টিকিট। অথচ প্রতিদিন চার-পাঁচ হাজার যাত্রী ট্রেনে যাতায়াত করছে।

কুলাউড়া স্টেশনের মাস্টার রুমান আহমেদ জানান, কয়েক দিন ধরে কয়েকটি ট্রেন বিলম্ব করছে। এর কয়েকটি কারণ রয়েছে।

ঘন কুয়াশা, দুর্বল ইঞ্জিন এসব কারণে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারে না। এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলে আমরা কোনোভাবেই টিকিটের চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। যাত্রীর তুলনায় অতি সামান্য টিকিট রয়েছে।


সিলেট প্রেস / এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০২৬-০১-০৭ ২২:৩২:৫৮