সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বন্যা পরিস্হিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো পুরো স্বাভাবিক হয় নি।কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার কারনে এখনো লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন ।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া লোকজন এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন। তারেকে প্রতি দিন দুই বেলা রান্না করা খাবারের ব্যবস্হা করা হয়েছে। সিলেট -৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান আশফাকুল ইসলাম সাব্বির এর ব্যবস্হাপনায় এই খাবার পরিবেশন অব্যাহত রয়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতি ও ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাব সার্বিক সহযোগিতায় ধারাবাহিক ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের ৩২ টি আশ্রয় কেন্দ্রের ২২ শ লোকের জন্য প্রতি দিন দুই বেলা রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।
ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ মাহমুদ জুয়েল বলেন ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যা দেখা দেওয়ার পর থেকে আমাদের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বন্যার্ত মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যথ দিন লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে থাকবে তথদিন খাবার বিতরণ করা হবে।তাদের এই মহত্ত্বি কাজ ফেঞ্চুগঞ্জ বাসী মনে রাখবে বলে জানান।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মিলন কান্তি রায় জানান ফেঞ্চুগঞ্জে এখনো পানি বিপদ সীমার উপর রয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা লোকজন কে স্হানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়রাম্যান খাবারের ব্যবস্হা করেছেন। প্রতি দিন নিদিষ্ট একটি জায়গায় সকল কেন্দ্রের লোকজনের জন্য খাবার রান্না করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিতরণ করা হয়।এটা সত্যি একটি বিরল উদ্যোগ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শহীদ আহমদ চৌধুরী,ফেঞ্চুগঞ্জ




















