মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় স্ত্রীর ওপর খেপে গিয়ে কলেজছাত্র শ্যালককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে জুনেদ মিয়া (২৭) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতে সিলেট নগরের টুকেরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুনেদের বাড়ি উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব কচুরগুল গ্রামে। তিনি পেশায় গাড়িচালক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুড়ী থানার উপপরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম আজ সোমবার সকালে মুঠোফোনে বলেন, ঘটনার পর জুনেদ ভারতে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরপর বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান জেনে গতকাল রাত ১০টার দিকে সিলেটের টুকেরবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় জুনেদকে গ্রেপ্তার করে জুড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁকে মৌলভীবাজারের আদালতে পাঠানো হবে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যৌতুকের দাবিতে জুনেদ মিয়া প্রায়ই স্ত্রী ফারজানা আক্তারের (২২) ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে ফারজানা স্বজনদের ঘটনাটি জানালে জুনেদ তাঁর ওপর খেপে যান। নির্যাতনের খবর পেয়ে ৭ মে ফারজানার বড় ভাই আবুল হোসেন (২৭) ও ফুফাতো ভাই কুলাউড়া সরকারি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু তাহের (২০) মোটরসাইকেলে করে বোনের শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে জুনেদ তাঁর ট্রাক দিয়ে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেন। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হন। ওই দিন রাতে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবু তাহের মারা যান। এ ঘটনায় আবু তাহেরের মা জিবা বেগম বাদী হয়ে জুনেদকে আসামি করে জুড়ী থানায় মামলা করেন।




















