বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, খাস জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কারণে সড়ক সরু হয়ে গেছে। এতে চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। সচেতন মহলে এ ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সওজের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ আলম।
স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের বড়লেখা-শাহবাজপুর ভায়া দৌলতপুর সড়কের শাহবাজপুর বাজারের প্রবেশ মুখে সড়কের সঙ্গে শাহবাজপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানা রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ভূমির সীমানা নির্ধারণ না করেই সিংহভাগ সরকারি জমি দখল করে বাণিজ্যিক মার্কেট তৈরি করেছে। যেটুকু স্থান ফাঁকা ছিল সম্প্রতি ভাড়া দেওয়ার জন্য সেখানেও তিনটি রুম তৈরি করা হয়েছে। সরেজমিন গিয়ে সরকারি পাকা সড়কসংলগ্ন স্থানে দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলমান দেখা গেছে।
অধ্যক্ষ আব্দুল বাছিত জানান, স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিজস্ব জমিতেই কমিটির অনুমোদন নিয়ে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। যেহেতু সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমির সঙ্গে নির্মিতব্য স্থাপনার ভূমির অবস্থান, সেহেতু সওজকে নিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে স্থাপনা তৈরি করছেন কিনা– জানতে চাইলে তিনি জানান, সেভাবে কাজ করা হয়নি।
শাহবাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান বাবুল জানান, তাঁর জানা মতে যেখানে দোকানঘর বানানো হচ্ছে এর বেশির ভাগ জমি সওজের। খাস জমিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ কীভাবে স্থাপনা নির্মাণ করল বা এখনও করছে তিনি তা জানেন না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ যে স্থাপনা নির্মাণ করেছে, তার সিংহভাগ জমিই সরকারি।
সওজের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, সীমানা নির্ধারণ ব্যতীত সওজের জমিসংলগ্ন স্থানে কারও স্থাপনা নির্মাণ করা ঠিক নয়। তিনি খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।




















