দেশে বর্তমানে ৮৫ হাজার নার্স কাজ করছে, যার মধ্যে ৪৫ হাজার সরকারি। তবে এখনো কর্মরতদের দ্বিগুণের বেশি নার্স নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। গত দশ বছরে ৩৪ হাজার নার্স নিয়োগ পেয়েছে, পর্যায়ক্রমে আরও নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
শুক্রবার রাজধানীর ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ও বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সের ২৭তম কমপ্রিহেনসিভ (লাইসেন্সিং) পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসকরা দেখে চলে যান, কিন্তু সার্বক্ষণিক সেবা দেন নার্সরা। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর স্পেশালাইজড নার্স তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ সময় আরও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিতে নার্সদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জাহিদ মালেক বলেন, নার্সদের ৩৫০টি ইনস্টিটিউটে ৩৪ হাজার সিট আছে। নার্সরা বিদেশে সেবা দিয়ে যাতে বাংলাদেশের সম্মান বয়ে আনতে পারেন, সেজন্য প্রশিক্ষণ নিতে প্রয়োজনে দেশের বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের অধিভুক্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্স সম্পন্নকারীদের ২৭তম কম্প্রিহেন্সিভ (লাইসেন্সিং) পরীক্ষা ৪টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এতে অংশগ্রহণ করেছে ৩টি কোর্সের মোট ১১ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থী।
কেন্দ্র পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাকসুরা নূর (এনডিসি), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু (এনডিসি) এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. টিটো মিয়া প্রমুখ।




















