অবরোধে পর্যটকশূন্য চায়ের রাজধানী

  • প্রকাশের সময় : ২৪/১১/২০২৩ ০১:২৪:০৬ AM

পর্যটকশূন্য শ্রীমঙ্গল বিজিবি ক্যাম্পের ৭১ বধ্যভূমি

Share
110

চলমান হরতাল ও অবরোধের কারণে মৌসুমের শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের পর্যটন খাত। পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র।

২৮ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হরতাল-অবরোধের কারণে শ্রীমঙ্গলের পর্যটননগরীতে বিরাজ করছে নীরবতা। খালি পড়ে আছে আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো। অন্যান্য বছর শীতের শুরুতেই এখানকার হোটেল-রিসোর্টে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়। তবে এবারের চিত্র একেবারেই ভিন্ন।

উপজেলার উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্পটগুলো ঘুরে দেখা যায়, সেখানকার পর্যটন এলাকাগুলোতে নির্জনতা বিরাজ করছে। হোটেল এবং রেস্টুরেন্টগুলো ফাঁকা। অলস সময় কাটাচ্ছেন আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শ্রীমঙ্গলের এসব হোটেলে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো বুকিং ও শিডিউল নেই তাদের। হোটেল-মোটেলের ৯৫ শতাংশ কক্ষই খালি। শীতের মাসগুলোয় শ্রীমঙ্গলের পর্যটন শিল্পে থাকে পর্যটক বুকিংয়ের চাপ। এ ছাড়া সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও পর্যটকের ভিড় থাকে। এবার একেবারেই চোখে পড়ছে না। এতে করে হতাশ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পর্যটনশিল্পে এমন খরার জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।

পর্যটন ইকোগাইড শ্যামল দেব বর্মা জানান, বিগত বছরগুলোয় এ সময়ে শ্রীমঙ্গলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের উপচেপড়া ভিড় ছিল। হোটেল-মোটেলে কোনো সিট ফাঁকা পাওয়া মুশকিল ছিল। টানা অবরোধ-হরতালের কারণে এ বছরের শুরুতেই এক্ষেত্রে বিপরীত চিত্র। কোনো স্পটেই পর্যটকদের দেখা মিলছে না।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী সেলিম আহমেদ জানান, দুর্গাপূজার শুরু থেকেই শ্রীমঙ্গলের পর্যটনশিল্প বেশ জমে উঠেছিল। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হরতাল-অবরোধের কারণে চলতি মৌসুমের শুরুতেই বিশাল আর্থিক লোকসানের মুখোমুখি এখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এভাবে ভর্তুকি দিয়ে রিসোর্ট চালাতে থাকলে এ শিল্পে ধস নেমে আসবে।


সিলেট প্রেস / ২৪ নভেম্বর ২০২৩/ এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০২৩-১১-২৪ ০১:২৪:০৬