সিসিক'র উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাকুর বেনামী সম্পদের পাহাড়!

  • প্রকাশের সময় : ০৬/০৬/২০২৬ ০৫:২৪:৫৩ PM

Share
15

অংশুমান ভট্টাচার্য রাকু সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উপ সহকারী প্রকৌশলী।  নামের মতই রাখডাকে চলছে তার কাজ কারবার। মৌলভীবাজারের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা রাকু সিলেট এসেছিলেন পড়াশোনা করার জন্য।  থাকতেন আত্মীয়ের বাসায়। সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা পাশ করে আর এগোতে পারেন নি। চাকরীর সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরানের মাধ্যমে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ড্রাফটসম্যান হিসাবে মাষ্টার রোলে নিয়োগ পান। এই চাকরিই তার জীবন পাল্টে দেয়। হয়ে যান বিরাট সম্পত্তির মালিক।  শোনা যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৈাশলী নূর  আজিজুর রহমানকে বশ করে ড্রাফটসম্যান থেকে রাতারাতি হয়ে যায় উপ সহকারী প্রকৌশলী।

কর্মক্ষেত্রে তার সিনিয়র বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী সাবেক সহকারী প্রকৌশলী অরবিন্দ দেব এর ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন করে দ্বিগুণ তিনগুণ মূল্য বাড়িয়ে ইষ্টমিট করে দুজন মিলে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। মেনেজ করার ক্ষমতা অরবিন্দ দেব এর নিকট থেকে  ভালই রপ্ত করেছেন রাকু। অরবিন্দ দেব যেভাবে বাতি পরিদর্শক এর পদে নিয়োগ পেয়ে কিছুদিনের মধ্যে সহকারী প্রকৌশলী হয়েছিলেন। ঠিক তেমনি অরবিন্দ দেব এর যোগ্য শিষ্য হয়ে উঠেন অংশুমান ভট্টাচার্য রাকু। তবে এ ক্ষেত্রে রাকু এক ধাপ এগিয়ে তার সম্পত্তির বেশীর ভাগই শ্বশুর, শালা সমন্ধির নামে। জানা যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় তার রয়েছে বিশাল ভূসম্পত্তি। 

চালিবন্দর মাদানী সিটিতে রয়েছে জায়গা ও বাসা।  যা তার শ্বশুরের নামে। এক সময় তিনি সেখানে থাকলেও এখন মাদানী সিটি তাকে টানে না। এখন তিনি থাকেন বালুচর দুর্গাবাড়ি এলাকায়। সেখানে সম্প্রতি গড়ে তুলেছেন বিশাল রাজ প্রাসাদ। এছাড়াও নগরীর করের পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে তার বিশাল ভূসম্পত্তি।  বেশীর ভাগই শ্বশুর বাড়ির নামে। এছাড়াও তার মৌলভীবাজার জেলায় গ্রামের বাড়িতে নামে বেনামে কিনেছেন জায়গা জমি। এক সময় কোন রকমে দিন যাপন করলেও এখন গ্রামে বড় বড় সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন হর হামেশা। নিজে সিটি কর্পোরেশন প্রদত্ত মটর সাইকেল ব্যবহার করলেও স্ত্রী সন্তানদের কিনে দিয়েছেন গাড়ি।  সে গাড়িতে তার স্ত্রী সন্তানরা স্কুল সহ সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।  তিনি নিজেও মাঝে মাঝে তাদের সঙ্গ দেন। প্রতি বছরে দুটি ঈদে বিদেশ ভ্রমণ না করলে তার ভাল লাগেনা। যখন যে মেয়র আসেন তাকেই মেনেজ করে নেন। মাঝে মধ্যে জাল জালিয়াতি ধরা পড়লে ম্যনেজ করে নেন বিভিন্নভাবে।ধামাচাপা পড়ে যায় সব ঘটনা। এহেন রাকু বাবুর কীর্তি নগর ভবন থেকে ছড়িয়ে পড়েছে নগরীর অলিতে গলিতে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উপ সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য রাকু লমুঠো ফোনে একাধিক বার কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। চলবে,,,


সিলেট প্রেস / এফ কে


কমেন্ট বক্স
স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২০২৬-০৬-০৬ ১৭:২৪:৫৩